লেখার নীড়

পরিচিতি

ড. প্রীতিশ রঞ্জন বড়ুয়া চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পিংগলা গ্রামের সন্তান। পিতা মনোরঞ্জন বড়ুয়া ও মাতা রেণুকনা বড়ুয়ার ঘরে জন্ম নেওয়া প্রীতিশ রঞ্জন বড়ুয়া পেশাগত জীবনে একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা, আর ব্যক্তিগত পরিচয়ে একজন প্রাবন্ধিক, সংগঠক ও দীর্ঘদিনের বৌদ্ধ সমাজকর্মী। তাঁর সহধর্মিণীর নাম নেভী রানী বড়ুয়া।

তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বি.এস.এস (অনার্স) ও এম.এস.এস ডিগ্রি সম্পন্ন করেন (ব্যাচ-১৮), এবং পরবর্তীতে "বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বৌদ্ধ ধর্ম ও সমাজ কর্ম" শীর্ষক গবেষণার জন্য পিএইচডি (ডক্টর অফ ফিলসফি) উপাধি অর্জন করেন।

দৈনিক আজাদীসহ বিভিন্ন স্মারক গ্রন্থে তাঁর অসংখ্য প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে — ধর্ম, সংস্কৃতি, সমাজ, অর্থনীতি ও ইতিহাসের বিচিত্র বিষয়ে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন — যুব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে সাংগঠনিক সচিব, প্রচার সচিব ও অর্থ সচিব হিসেবে। তাঁর এই দীর্ঘ সামাজিক ও সাংগঠনিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেছেন ওয়ার্ল্ড বুড্ডিষ্ট আউটস্ট্যান্ডিং লিডার্স অ্যাওয়ার্ড, ওয়ার্ল্ড এলায়েন্স অব বুড্ডিষ্ট লিডার্স অ্যাওয়ার্ড, মহাত্মা গান্ধী পিস অ্যাওয়ার্ড, ড. বি. আর. আম্বেদকর অ্যাওয়ার্ড, সুষম গ্রেট সোশ্যাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড, মাদার থেরেসা অ্যাওয়ার্ড এবং সুষম ওয়ার্ল্ড পিস অ্যাওয়ার্ডসহ আরও অনেক সম্মাননা।

তিনি জীবন ও পৃষ্ঠপোষক সদস্য হিসেবে চট্টগ্রাম একাডেমির সাথে যুক্ত, এবং নিজের গ্রাম পিংগলার যুব সংগঠন ও বিহার কেন্দ্রিক সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথেও গভীরভাবে জড়িত। তাঁর লেখায় বারবার ফিরে এসেছে পরিবার, সততা, সময়ানুবর্তিতা আর মানবিকতার কথা — আর সেই সাথে বৌদ্ধ ধর্ম, চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও তাঁর শ্রদ্ধেয় গুরুজনদের স্মৃতিও।

এই "লেখার নীড়" তাঁরই লেখাগুলোর একটি সংকলন — তাঁর চিন্তা, বিশ্বাস ও জীবনের পথচলার একটি ছোট্ট আশ্রয়।